শনিবার, ১৮ Jul ২০২৬, ০৮:৩৩ অপরাহ্ন
আগামী কয়েকদিনেই তাদের কক্সবাজারের ক্যাম্পগুলো থেকে ভাসানচরে সরিয়ে নেয়া হবে। আগেরবারের মতোই রোহিঙ্গাদের প্রথমে নেয়া হবে চট্টগ্রামে, পরে সেখানে থেকে নেয়া হবে ভাসানচরে।
রয়টার্সকে অতিরিক্ত প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ সামসুদ্দৌজা জানান, কোন রোহিঙ্গাকেই ইচ্ছার বিরুদ্ধে স্থানান্তর করা হচ্ছে না। যদিও বেশ কিছু মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশ সরকারকে এই প্রক্রিয়া বন্ধের আহবান জানিয়ে আসছে। তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী একেএম আবদুল মোমেন বেশ কয়েকবার বলেছেন, কাউকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে সেখানে নেয়া হচ্ছে না।
চলতি মাসের শুরুতে প্রথম ধাপে ১ হাজার ৬৪২ জন রোহিঙ্গাকে নিয়ে ভাসানচরে পৌঁছায় নৌবাহিনীর জাহাজ। গত ৪ ডিসেম্বর ৩৬৮ জন পুরুষ, ৪৬৪ জন নারী ও ৮১০ জন শিশুকে নিয়ে জাহাজটি ভাসানচরে পৌঁছায়।
সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ২ হাজার ৩১২ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রায় ১৩ হাজার একর আয়তনের চরটি ১২০টি গুচ্ছগ্রামের অবকাঠামো তৈরি করা হয়। যেখানে এক লাখের বেশি মানুষের আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিটি গুচ্ছগ্রামে রয়েছে ১২টি হাউজ এবং চারতলাবিশিষ্ট ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র। পাকা দেয়ালের ওপর টিনের শেডের প্রতিটি হাউজে রয়েছে ১৬টি করে কক্ষ। প্রতিটি কক্ষে চারজনের একটি পরিবারের থাকার ব্যবস্থা। দ্বীপের ১৭০২ একর জমির চারপাশে উঁচু বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে জোয়ার ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি থেকে রক্ষার জন্য।